বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশনের রিপোর্টের নাম-
ক) বাংলাদেশ কমিশন রিপোর্ট
খ) বাংলাদেশের শিক্ষা কমিশন রিপোর্ট
গ) জাতীয় শিক্ষা কমিশন রিপোর্ট
ঘ) কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন রিপোের্ট
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
ড. কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন ১৯৭৪ সালে তাদের যে প্রতিবেদন জমা দেয় তা পরবর্তীতে 'ড. কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন রিপোর্ট' নামে পরিচিতি লাভ করে।
Related Questions
ক) ১৯৭২ সালে
খ) ১৯৭৩ সালে
গ) ১৯৭৪ সালে
ঘ) ১৯৭৫ সালে
Note : বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার আমূল সংস্কারের উদ্দেশ্যে ড. কুদরত-ই-খুদার নেতৃত্বে শিক্ষা কমিশনটি ১৯৭২ সালে গঠিত হয়েছিল।
ক) ২৬ জুলাই, ১৯৭২
খ) ২৬ জুলাই, ১৯৭৩
গ) ২৬ জুলাই, ১৯৭৪
ঘ) ২৬ জুলাই, ১৯৭৫
Note : স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় শিক্ষা কমিশন ড. কুদরত-ই-খুদার নেতৃত্বে ১৯৭২ সালের ২৬ জুলাই গঠিত হয় যা দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার কাঠামো নির্ধারণের ভিত্তি ছিল।
ক) ৬ থেকে ১০ বছর
খ) ৫ থেকে ১১ বছর
গ) ৬ থেকে ১১ বছর
ঘ) ৫ থেকে ১০ বছর
Note : বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষার (১ম-৫ম শ্রেণি) জন্য শিশুদের নির্ধারিত বয়সসীমা হলো ৬ থেকে ১০ বছর যা সরকারের শিক্ষানীতি দ্বারা নির্ধারিত।
ক) D.Ph
খ) Ph. D
গ) D.O.P
ঘ) D. Phy
Note : Doctor of Philosophy (ডক্টর অব ফিলোসফি) হলো সর্বোচ্চ একাডেমিক ডিগ্রি যার সংক্ষিপ্ত রূপ হলো Ph.D.।
ক) School level
খ) Madrasa level
গ) College level
ঘ) University level
Note : Tertiary education বলতে উচ্চশিক্ষা বা বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষাকে বোঝায় যা সাধারণত স্নাতক স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি ডিগ্রি অর্জনের স্তর।
ক) দুই স্তর
খ) তিন স্তর
গ) চার স্তর
ঘ) পাঁচ স্তর
Note : বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থা সাধারণত তিনটি প্রধান স্তর বা ধারায় বিভক্ত: প্রাথমিক স্তর মাধ্যমিক স্তর এবং উচ্চশিক্ষা বা বিশ্ববিদ্যালয় স্তর (Tertiary)।
জব সলুশন