এই মোর হাতে কোদাল ধরিয়া কঠিন মাটির তলে, গাড়িয়া দিয়াছি কত সোনা মুখ নাওয়ায়ে চোখের জলে। পঙ্ক্তিটি কোন কবির রচনা?
ক) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
খ) আবদুল কাদির
গ) জসীমউদ্দীন
ঘ) সুফিয়া কামাল
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
জসীমউদ্দীনের 'কবর' কবিতার একটি অংশ যেখানে দাদু তাঁর প্রিয়জনদের কবরস্থ করার কথা বলছেন।
Related Questions
ক) কবি জসীমউদ্দীন
খ) কাজী নজরুল ইসলাম
গ) আবদুল কাদির
ঘ) সুফিয়া কামাল
Note : জসীমউদ্দীনের 'কবর' কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে। এখানে কবির শৈল্পিক বর্ণনা ও পল্লীজীবনের আবেগ ফুটে উঠেছে।
ক) আসমানী
খ) দাওয়াত
গ) কবর
ঘ) পল্লীস্মৃতি
Note : জসীমউদ্দীনের বিখ্যাত 'কবর' কবিতার সবচেয়ে পরিচিত শুরুর চরণগুলোর একটি। এটি দাদির কবরের স্মৃতিচারণ।
ক) আম
খ) পাট
গ) তরমুজ
ঘ) মাছ
Note : কবিতাটির টেক্সট অনুযায়ী দাদু শাপলার হাটে তরমুজ বিক্রি করার কথা স্পষ্টভাবে বর্ণিত হয়েছে।
ক) গজনীর হাটে
খ) শাপলার হাটে
গ) উজানতলীর হাটে
ঘ) মেঘনার হাটে
Note : কবিতাটির বর্ণনা অনুযায়ী দাদু শাপলার হাটে তরমুজ বিক্রি করে উপার্জিত অর্থ দিয়ে পরিবারের জন্য খরচ করতেন।
ক) কদমতলী
খ) বাদামতলী
গ) উজানতলী
ঘ) পলাশতলী
Note : কবিতাটির চরণে সরাসরি উল্লেখ আছে 'বাপের বাড়িতে যাইবার কালে কহিত ধরিয়া পা / আমারে দেখিতে যাইও কিন্তু উজান-তলীর গাঁ'।
ক) পাঁচজন
খ) ছয়জন
গ) তিনজন
ঘ) চারজন
Note : কবিতাটিতে দাদির- বড় খোকার- খোকার স্ত্রীর- মেয়ের এবং ছোট ভাইয়ের স্ত্রীর মোট ৫ জনের কবরের কথা ও মৃত্যুর বিবরণ রয়েছে।
জব সলুশন