‘দুঃখের বিষয় এই যে স্কুল মাস্টাররা একালে সাহিত্যের ভার নিয়েছেন’ কথাটি কে কোন রচনায় বলেছেন?
ক) প্রমথ চৌধুরী - বীরবলের হালখাতা'য়
খ) প্রমথ চৌধুরী - সাহিত্যে খেলা
গ) দীনেশচন্দ্র সেন - বঙ্গভাষা ও সাহিত্য গ্রন্থে
ঘ) রবীন্দ্রনাথ - সাহিত্য গ্রন্থ
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
প্রমথ চৌধুরী তাঁর ‘সাহিত্যে খেলা’ প্রবন্ধে প্রচলিত শিক্ষার যান্ত্রিকতার সমালোচনা করেছেন। তিনি মনে করতেন সাহিত্য আনন্দের বিষয় একে গতানুগতিক পাঠ্যবইয়ের মতো নীরস করা উচিত নয়।
Related Questions
ক) যৌবনের গান
খ) অপরাহ্ণের গল্প
গ) সাহিত্যে খেলা
ঘ) কলিমুদ্দী দফাদার
Note : প্রমথ চৌধুরীর ‘সাহিত্যে খেলা’ প্রবন্ধের মূল সুর হলো সাহিত্যের উদ্দেশ্য আনন্দ প্রদান করা। আনন্দের এই বিশেষ বৈশিষ্ট্যটি তিনি প্রবন্ধের এই চরণে ফুটিয়ে তুলেছেন।
ক) বঙ্কিমচন্দ্রের
খ) কাজী নজরুল ইসলামের
গ) রবীন্দ্রনাথের
ঘ) প্রমথ চৌধুরীর
Note : উদ্ধৃতিটি প্রমথ চৌধুরীর জীবনদর্শনজাত। মানুষের মনের দ্বান্দ্বিক প্রকৃতি এবং সাহিত্যের অন্তর্নিহিত গভীর দর্শন প্রকাশে তিনি এই মনস্তাত্ত্বিক উক্তিটি ব্যবহার করেছেন।
ক) হৈমন্তী
খ) একুশের গল্প
গ) ভাষার কথা
ঘ) সাহিত্যে খেলা
Note : এটি প্রমথ চৌধুরীর ‘সাহিত্যে খেলা’ প্রবন্ধের একটি তাৎপর্যপূর্ণ অংশ। এখানে লেখক সাহিত্যের সৃজনশীলতা এবং শিল্পীর নিপুণতা সম্পর্কে আলোকপাত করেছেন।
ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
খ) কাজী নজরুল ইসলাম
গ) বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়
ঘ) প্রমথ চৌধুরী
Note : প্রমথ চৌধুরী বিশ্বাস করতেন সাহিত্যের ভাষা মানুষের মুখের জীবন্ত ভাষার কাছাকাছি হওয়া উচিত। এই বিখ্যাত উক্তিটির মাধ্যমে তিনি সাধু ভাষার কৃত্রিমতা ত্যাগ করে চলিত ভাষার আবশ্যকতা ব্যাখ্যা করেছেন।
ক) আবু সয়ীদ আইয়ুব
খ) আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ
গ) মোহিতলাল মজুমদার
ঘ) প্রমথ চৌধুরী
Note : প্রমথ চৌধুরী ‘বীরবল’ ছদ্মনামে সাহিত্যচর্চা করতেন। বীরবলের হালখাতা তাঁর অন্যতম শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি যা আধুনিক চলিত বাংলার প্রমিত রূপ গঠনে বিশাল ভূমিকা পালন করে।
ক) কাব্য
খ) নাটক
গ) উপন্যাস
ঘ) প্রবন্ধ
Note : ‘বীরবলের হালখাতা’ মূলত প্রমথ চৌধুরীর সংগৃহীত প্রবন্ধের সংকলন। বীরবলীয় ঢঙে লিখিত এই প্রবন্ধগুলোতে সমাজ সাহিত্য ও রাজনীতির নানা অসঙ্গতি ব্যঙ্গাত্মক ও যুক্তিনিষ্ঠভাবে উপস্থাপিত হয়েছে।
জব সলুশন