নিচের কোনটি উপন্যাস নয়?
ক) দিবারাত্রির কাব্য
খ) শেষের কবিতা
গ) মহাশ্মশান
ঘ) লালসালু
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
সাহিত্যের আঙ্গিক শনাক্তকরণ বিষয়ক এই প্রশ্নে 'মহাশ্মশান' উত্তর কারণ এটি একটি মহাকাব্য। অন্যদিকে শেষের কবিতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এবং লালসালু সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর বিখ্যাত উপন্যাস।
Related Questions
ক) 1726
খ) 1761
গ) 1556
ঘ) 1526
Note : পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ ১৭৬১ সালে সংগঠিত হয়েছিল যার উপর ভিত্তি করে মহাশ্মশান মহাকাব্যটি রচিত। ১৫২৬ সালে প্রথম এবং ১৫৫৬ সালে দ্বিতীয় পানিপথের যুদ্ধ হয়েছিল।
ক) পলাশীর যুদ্ধ
খ) ১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহ
গ) তৃতীয় পানিপথের যুদ্ধ
ঘ) ছিয়াত্তরের মন্বন্তর
Note : ১৭৬১ সালে আহমেদ শাহ আবদালী ও মারাঠাদের মধ্যে সংঘটিত ঐতিহাসিক তৃতীয় পানিপথের যুদ্ধকে কেন্দ্র করে এই মহাকাব্যটি রচিত হয়েছে।
ক) ইতিহাস
খ) গীতিকাব্য
গ) মহাকাব্য
ঘ) উপন্যাস
Note : এটি একটি ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে রচিত বিশাল ট্র্যাজেডি ধর্মী মহাকাব্য। যদিও এতে ইতিহাস রয়েছে তবুও এর সাহিত্যিক আঙ্গিক মহাকাব্যিক।
ক) অশ্রুমালা
খ) মহাশ্মশান
গ) বলাবন
ঘ) মেঘনাদবধ
Note : কায়কোবাদের শ্রেষ্ঠ কীর্তি হলো 'মহাশ্মশান' যা পানিপথের যুদ্ধের পটভূমিতে রচিত। অন্যদিকে 'মেঘনাদবধ' হলো মাইকেল মধুসূদন দত্তের শ্রেষ্ঠ মহাকাব্য।
ক) মোজাম্মেল হক
খ) হামিদ আলী
গ) কায়কোবাদ
ঘ) যোগীন্দ্রনাথ বসু
Note : মুসলিম কবিদের মধ্যে কায়কোবাদই প্রথম 'মহাশ্মশান' নামক সার্থক মহাকাব্য রচনা করে বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেন। অন্য অপশনগুলোর লেখকরা মূলত গদ্য বা খণ্ড কবিতার জন্য পরিচিত।
ক) নজরুল ইসলাম
খ) ফররুখ আহমদ
গ) কায়কোবাদ
ঘ) সৈয়দ সুলতান
Note : আধুনিক বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে কায়কোবাদই প্রথম মুসলিম কবি যিনি আধুনিক কাব্যধারার সূচনা করেন। তিনি মহাকাব্য রচনার মাধ্যমে মুসলিম কবিদের মধ্যে আধুনিকতার পথপ্রদর্শক হিসেবে পরিচিত।
জব সলুশন