আর্সেনিক দূষণযুক্ত টিউবওয়েলের মাথা -
ক) সবুজ রঙের
খ) লাল রঙের
গ) হলুদ রঙের
ঘ) মেরুন রঙের
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
দূষণযুক্ত টিউবওয়েল লাল রং দিয়ে এবং আর্সেনিকমুক্ত টিউবওয়েল সবুজ রং দিয়ে চিহ্নিত করা হয়।
Related Questions
ক) ৬৩ টি জেলা
খ) ৬১ টি জেলা
গ) ৫৯ টি জেলা
ঘ) ৪৯ টি জেলা
Note : ব্রিটিশ জিওলজিক্যাল সার্ভে'র (BGS) ২০০১ সালের জরিপ অনুযায়ী বাংলাদেশের ৬১টি জেলার নলকূপে মাত্রাতিরিক্ত আর্সেনিক পাওয়া গিয়েছিল।
ক) মেহেরপুর
খ) দিনাজপুর
গ) কুষ্টিয়া
ঘ) চাঁপাইনবাবগঞ্জ
Note : বাংলাদেশে প্রথম আর্সেনিক দূষণ ধরা পড়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার বারঘরিয়া ইউনিয়নে।
ক) উত্তরাঞ্চল
খ) পশ্চিমাঞ্চল
গ) দক্ষিণাঞ্চল
ঘ) মধ্যাঞ্চল
Note : প্রথম আর্সেনিক দূষণ ধরা পড়ে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে (যেমন যশোর খুলনা বা পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তবর্তী জেলাগুলো)।
ক) ১৯৯০ সালে
খ) ১৯৯১ সালে
গ) ১৯৯২ সালে
ঘ) ১৯৯৩ সালে
Note : বাংলাদেশের পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের ইতিহাস বিষয়ক প্রশ্ন। বাংলাদেশে আর্সেনিক দূষণ প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯৯৩ সালে ধরা পড়ে।
ক) নদীর পানি
খ) অগভীর নলকূপের পানি
গ) গভীর নলকূপের পানি
ঘ) বিলের পানি
Note : বাংলাদেশে আর্সেনিক মূলত অগভীর নলকূপের পানিতে বেশি পরিমাণে ও বিপজ্জনক মাত্রায় পাওয়া যায় কারণ আর্সেনিক ভূগর্ভস্থ জলস্তরের উপরের দিকেই বেশি কেন্দ্রীভূত থাকে।
ক) নদীর পানির উপর
খ) নলকূপের পানির উপর
গ) বৃষ্টির পানির উপর
ঘ) পুকুরের পানির উপর
Note : স্যানিটেশন ব্যবস্থার উন্নতির পর থেকে দেশের অধিকাংশ মানুষ নিরাপদ পানীয় জলের জন্য নলকূপের ওপর নির্ভরশীল।
জব সলুশন