১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইন কোন ক্ষেত্রে বেশি অবদান রাখছে?
ক) নারী কল্যাণ
খ) শিশু কল্যাণ
গ) বৈবাহিক সংস্কার
ঘ) পূর্বের তিন ক্ষেত্রেই
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইন নারী কল্যাণ শিশু কল্যাণ ও বৈবাহিক সংস্কার তিন ক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে
Related Questions
ক) 1951
খ) 1961
গ) 1955
ঘ) 1960
Note : মুসলিম পারিবারিক আইন ১৯৬১ সালে প্রণীত হয় যা বিবাহ তালাক ভরণপোষণ ইত্যাদি বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আইন
ক) পিতৃসূত্রীয়
খ) মাতৃসূত্রীয়
গ) মাতৃতান্ত্রিক
ঘ) পিতৃতান্ত্রিক
Note : বাংলাদেশে মুসলিম উত্তরাধিকার আইন প্রযোজ্য যেখানে সম্পদ সাধারণত পিতার দিক থেকে সন্তানেরা পায় তাই উত্তরাধিকার নীতি মূলত পিতৃসূত্রীয়
ক) আরজী নাকচ
খ) আরজী ফেরত
গ) মামলা খারিজ
ঘ) কোর্ট ফি বাতিল
Note : তামাদি আইনের বিধি অনুযায়ী নির্দিষ্ট মেয়াদের পরে দেওয়ানী মামলা দায়ের করলে সেই মামলা খারিজ হয়ে যায়
ক) মামলা বাতিল ও মুক্তি
খ) আদালতের আদেশে মুক্তি
গ) নির্বাহী আদেশে মুক্তি
ঘ) জামিনে মুক্তি
Note : প্যারোল হলো সাজার মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বে কয়েদির আচরণের ওপর ভিত্তি করে নির্বাহী আদেশে শর্তসাপেক্ষে মুক্তি
ক) জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
খ) জেলা জজ
গ) হাইকোর্ট বিভাগ
ঘ) আপিল বিভাগ
Note : ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯১ ধারা অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগ 'হেবিয়াস কর্পাস' (Habeas Corpus) রিট জারি করার ক্ষমতা রাখে
ক) গ্রেফতার পূর্ব জামিন
খ) বিচার পূর্ব জামিন
গ) চার্জ গঠন পূর্ব জামিন
ঘ) যুক্তিতর্ক শুনানি পূর্ব জামিন
Note : গ্রেফতার বা আটক হওয়ার পূর্বেই আদালত থেকে জামিন লাভ করাকে আগাম জামিন (Anticipatory Bail) বলা হয়
জব সলুশন