যেটি কলেরা, টাইফয়েড এবং যক্ষ্মা রোগ সৃষ্টি করে -
ক) ভাইরাস
খ) ব্যাকটেরিয়া
গ) সিগেলামনি
ঘ) কোনোটিই না
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
কলেরা (ভিব্রিও কলেরি দ্বারা), টাইফয়েড (সালমোনেলা টাইফি দ্বারা) এবং যক্ষ্মা (মাইকোব্যাকটেরিয়াম টিউবারকুলোসিস দ্বারা) – এই তিনটি রোগই ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট। সুতরাং, সাধারণ শ্রেণী হিসেবে ব্যাকটেরিয়া এই রোগগুলো সৃষ্টি করে।
Related Questions
ক) অ্যাথলিটস ফুট
খ) টিটেনাস
গ) দাগ
ঘ) কুষ্ঠ
Note : টিটেনাস বা ধনুষ্টংকার ক্লস্ট্রিডিয়াম টিটানি (Clostridium tetani) নামক ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট হয়। অ্যাথলিটস ফুট এবং দাদ হলো ছত্রাকজনিত রোগ এবং কুষ্ঠও ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ, তবে প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে টিটেনাস একটি সুস্পষ্ট উদাহরণ।
ক) পোলিও
খ) হাম
গ) জলাতঙ্ক
ঘ) ডিপথেরিয়া
Note : ডিপথেরিয়া (Diphtheria) করিনেব্যাকটেরিয়াম ডিপথেরি (Corynebacterium diphtheriae) নামক ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট একটি সংক্রামক রোগ। অন্যদিকে পোলিও, হাম এবং জলাতঙ্ক ভাইরাসজনিত রোগ।
ক) এককোষী বা বহুকোষী জীব
খ) সুকেন্দ্রিক
গ) প্রাক-কেন্দ্রিক
ঘ) অকোষীয় জীব
Note : ব্যাকটেরিয়া হলো প্রোক্যারিওটিক (Prokaryotic) বা প্রাক-কেন্দ্রিক কোষ দ্বারা গঠিত জীব। এর অর্থ হলো ব্যাকটেরিয়ার কোষে কোনো সুগঠিত নিউক্লিয়াস বা অন্যান্য ঝিল্লি-আবদ্ধ অঙ্গাণু (যেমন মাইটোকন্ড্রিয়া) থাকে না। এরা সর্বদা এককোষী।
ক) গর্ভবতী মহিলা এ রোগে আক্রান্ত হলে তার সন্তানের মধ্যে এ রোগ হতে পারে
খ) রক্ত সঞ্চালনের মাধ্যমে AIDS আক্রান্ত ব্যক্তির রক্ত দ্বারা এ রোগ ছড়ায়
গ) স্তনদুগ্ধ পানের মাধ্যমে আক্রান্ত মহিলার দেহ থেকে শিশুর AIDS হতে পারে
ঘ) AIDS রোগীর সাধারণ স্পর্শের দ্বারা এ রোগ ছড়ায়
Note : এইডস (AIDS) সাধারণ স্পর্শ, করমর্দন, একসাথে খাওয়া-দাওয়া করা, একই শৌচাগার ব্যবহার বা মশার কামড়ের মাধ্যমে ছড়ায় না। এটি শুধুমাত্র নির্দিষ্ট কিছু শারীরিক তরল (রক্ত, বীর্য, যোনি রস, বুকের দুধ) আদান-প্রদানের মাধ্যমেই ছড়ায়।
ক) AIDS-এর ভাইরাস রক্ত কণিকাকে সংক্রমিত করে
খ) AIDS-মানবদেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা খর্ব করে
গ) AIDS-যৌন সংগমের মাধ্যমে সংক্রামিত হয়
ঘ) পেনিসিলিন নামক এন্টিবায়োটিক দ্বারা AIDS রোগ সারানো যায়
Note : পেনিসিলিন একটি অ্যান্টিবায়োটিক যা ব্যাকটেরিয়াঘটিত সংক্রমণের বিরুদ্ধে কাজ করে। এইডস একটি ভাইরাসজনিত রোগ, তাই অ্যান্টিবায়োটিক (যেমন পেনিসিলিন) দিয়ে এর চিকিৎসা করা বা সারানো সম্ভব নয়।
ক) দক্ষিণ আফ্রিকা
খ) বোৎসওনা
গ) জিম্বাবুয়ে
ঘ) সোয়াজি
Note : বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, এইডস (AIDS) এ আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এবং সংক্রমণের হারে পৃথিবীর সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চল হলো সাব-সাহারান আফ্রিকা। এর মধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকায় এইচআইভি/এইডস এ আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা সর্বাধিক।
জব সলুশন