প্রাচীনতম সাহিত্যকর্ম -
Related Questions
সঠিক উত্তর হলো: মুহম্মদ আবদুল হাই ও আনোয়ার পাশা
ব্যাখ্যা:
বড়ু চণ্ডীদাসের কাব্য (শ্রীকৃষ্ণকীর্তন) সম্পাদনার ক্ষেত্রে বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ পথিকৃৎ হলেও, পরবর্তী সময়ে আধুনিক পাঠক ও গবেষকদের জন্য এটি সম্পাদনা করেছেন মুহম্মদ আবদুল হাই এবং আনোয়ার পাশা। তাঁরা মূলত কাব্যটির ভাষা ও পাঠকে সহজতর ও বিশ্লেষণধর্মী করে উপস্থাপন করেছেন।
মধ্যযুগের আদি কবি বডু চণ্ডীদাস লোকসমাজে প্রচলিত রাধাকৃষ্ণ প্রেম - সম্পর্কিত গ্রাম্য গল্প অবলম্বনে 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্য রচনা করেন। ১৯০৯ খ্রিস্টাব্দে বসন্তরঞ্জন রায় দিদ্বদ্বল্লভ পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলার কাঁকিল্যা গ্রাম্য গল্প অবলম্বনে 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্য রচনা করেন। ১৯১৬ সালে বসন্তরঞ্জন রায়ের সম্পাদনায় গ্রন্থটি বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে প্রকাশিত হয় । পুরো কাব্যটি আবর্তিত হয়েছে রাধা - কৃষ্ণের প্রেমনিবেদন, দেহসম্ভোগ,দুঃখভোগ ইত্যাদির মধ্য দিয়ে। আর বড়াই চরিত্রটিকে কবি সৃষ্টি করেছেন রাধা - কৃষ্ণের প্রেমের সংবাদ আদান - প্রদানকারিণী হিসেবে।
সঠিক উত্তর হলোঃ প্রণয় খন্ড।
শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি প্রধানত কয়েকটি খণ্ডে বিভক্ত, যেখানে রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমলীলা বর্ণিত হয়েছে। এই খণ্ডগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:
নৌকা খন্ড: এই অংশে কৃষ্ণ মাঝির ছদ্মবেশে রাধাকে পারাপার করান।
হার খন্ড: এখানে কৃষ্ণ রাধার হার চুরি করে লুকিয়ে রাখেন।
রাধাবিরহ: এটি কাব্যের সবচেয়ে বড় অংশ, যেখানে রাধা ও কৃষ্ণের বিচ্ছেদ ও বিরহ বেদনা বর্ণিত হয়েছে।
উপরের বিকল্পগুলোতে যে "প্রণয় খন্ড" নামটি দেওয়া হয়েছে, তা শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের কোনো পরিচিত খণ্ড নয়।
অন্যান্য খণ্ডগুলো হলো: জন্ম খণ্ড, তাম্বূল খণ্ড, দান খণ্ড, ছত্র খণ্ড, হার খণ্ড এবং বাণ খণ্ড।
জব সলুশন