সাহিত্যের রূপ ও রীতির বিচারে কোন গ্রন্থটি ব্যতিক্রম?
বাংলা কাব্য' একটি সাহিত্যের প্রকারভেদকে বোঝায় বাকিগুলো নির্দিষ্ট রচনা।
Related Questions
ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পণ্ডিতদের রচনাবলিগুলো হলোঃ রচয়িতা, সাহিত্যকর্ম, চণ্ডীচরণ মুন্সী, তোতা ইতিহাস,মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার,বত্রিশ সিংহাসন, হিতোপদেশ, রাজাবলী, বেদান্তচন্দ্রিকা, প্রবোধচন্দ্রিকা।তারিণীচরণ মিত্র,ওরিয়েন্টাল ফেবুলিস্ট, রাজীবলোচন মুখোপাধ্যায়, মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্র রায়স্য চরিত্রং, গোলকনাথ শর্মা, হিতোপদেশ,হরপ্রসাদ রায়, পুরুষ পরীক্ষা।
উল্লিখিত চরণগুলো মহাকবি চণ্ডীদাসের রচনা। এটি বৈষ্ণব পদাবলীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ পদ।
গড্ডলিকা প্রবাহ' বাগধারাটির 'গড্ডল' শব্দের অর্থ হলো 'ভেড়া'। এই বাগধারাটি অন্ধ অনুকরণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
পূর্ববঙ্গীয় উচ্চারণে 'স্মরণ' শব্দের শুরুতে নাসিক্য উচ্চারণ হয় না এটি একটি সাধারণ প্রবণতা।
বাংলা অভিধানে ং (অনুস্বার), ঃ (বিসর্গ) এবং ঁ (চন্দ্রবিন্দু) বর্ণগুলোর অবস্থান হলো স্বরবর্ণের ঠিক শেষে l এদেরকে পরাশ্রিত বর্ণ বলা হয়, কারণ এগুলো কোনো স্বরবর্ণ বা ব্যঞ্জনবর্ণের সাহায্য ছাড়া একা উচ্চারিত হতে পারে না এবং স্বাধীনভাবে শব্দের শুরুতে বসে না l
উনিশ শতকে বাংলা গদ্যচর্চার প্রসারের সঙ্গে সঙ্গে বাংলা বানানে নানা ধরনের অসংগতি দেখা দেয়। একই শব্দের একাধিক বানান প্রচলিত থাকায় বানানের ক্ষেত্রে অভিন্নতা ও শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার প্রয়োজন হয়।
এ সমস্যা সমাধানের জন্য রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উদ্যোগে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৩৫ সালে বাংলা বানান সংস্কার সমিতি গঠন করে। সমিতির সুপারিশের ভিত্তিতে ১৯৩৬ সালে বাংলা বানানের নিয়ম প্রকাশিত হয়। এর মূল লক্ষ্য ছিল বাংলা বানানের জন্য সুনির্দিষ্ট ও প্রমিত নিয়ম প্রণয়ন করা।
জব সলুশন