উপমহাদেশের সর্বশেষ গভর্নর জেনারেল কে ছিলেন?
উপমহাদেশের সর্বশেষ গভর্নর জেনারেল লর্ড মাউন্টব্যাটেন। তিনি ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৪৭ ভারতীয় উপমহাদেশের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ১৮ জুলাই, ১৯৪৭ ব্রিটিশ পার্লামেন্টে ‘ভারতীয় স্বাধীনতা আইন’ পাশ হয়। তিনি ১৪ ও ১৫ আগস্ট, ১৯৪৭ যথাক্রমে পাকিস্তান ও ভারতের গণপরিষদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করেন।
Related Questions
কর্কটক্রান্তি রেখা - বাংলাদেশের মধ্যখান দিয়ে গিয়েছে ।
কর্কটক্রান্তি বা কর্কটক্রান্তি রেখা (কর্কট মানে কাঁকড়া) বা উত্তর বিষুব পৃথিবীর মানচিত্রে অঙ্কিত প্রধান পাঁচটি অক্ষাংশের একটি। এটি বিষুবরেখা হতে উত্তরে অবস্থিত এবং ২৩ ডিগ্রী ২৬ মিনিট ২২ সেকেন্ড অক্ষাংশ বরাবর কল্পিত একটি রেখা।
পৃথিবী কক্ষতলের উপর লম্বভাবে থাকার বদলে একটু হেলে থাকে। (সারা বছর একই দিকে হেলে থাকে, সবসময় সূর্যের দিকে নয় - তাই জন্যে ঋতু পরিবর্তন হয় - বছরের অর্ধেক সময় উত্তর মেরু সূর্যের দিকে ফিরে থাকে)। কক্ষতলের উপর লম্বের থেকে আহ্নিক অক্ষের এই হেলে থাকা অর্থাৎ অবনতি কোণের পরিমাণ মোটামুটি ২৩ ডিগ্রী ২৬ মিনিট ২২ সেকেন্ড (২৩.৪৪ ডিগ্রী)। তাই কর্কট সংক্রান্তির (June Solstice) দিন অর্থাৎ সূর্যের উত্তরায়ণের সর্বোচ্চ দিন (যেদিন উত্তর গোলার্ধ সূর্যের দিকে সবচেয়ে বেশি হেলে থাকে এবং এ গোলার্ধে দিবালোক সবচেয়ে বেশীক্ষণ থাকে) সূর্য যে অক্ষাংশ রেখায় লম্বভাবে আলোকপাত করে সেই ২৩ ডিগ্রী ২৬ মিনিট ২২ সেকেন্ড অক্ষাংশ রেখাই হল কর্কটক্রান্তি রেখা।
২৩ ডিগ্রী ২৬ মিনিট ২২ সেকেন্ড অক্ষাংশ রেখাটিকে কর্কটক্রান্তি রেখা বলা হলেও লম্ব আলোকপাতে আসল অবস্থান নির্ভর করে পৃথিবীর হেলে থাকার কৌণিক পরিমাণের উপর। আর সেই কোণটি প্রতি ৪১,০০০ বছরের একটি চক্রাকার পর্যায়ক্রমে ২১.৫ থেকে ২৪.৫ ডিগ্রীর মধ্যে বদলাতে থাকে। সেই হিসাবে বর্তমান পর্যায়ে কর্কটক্রান্তি রেখার অবস্থান প্রতি বছর আধ সেকেন্ড করে কমে আসছে। এছাড়া ধীর পরিবর্তন ছাড়াও আহ্নিক অক্ষটি ঘুর্ণণরত লাট্টুর মতই স্থায়ী না থেকে প্রিসেশন নামে একটি বলয়াকার গতি এবং ন্যুটেশন নামে একটি দোদুল্যমান গতি পরিদর্শন করে। ন্যুটেশনের পর্যায়কাল পৃথিবীর ক্ষেত্রে ১৮.৬ বছর এবং কৌণিক পরিমাণ প্রায় সাড়ে নয় সেকেন্ড। রেখাটি নির্দিষ্ট নয় এবং এটি প্রত্যেক বছর ১৫ মিটার(০.৪৮৬″) করে দক্ষিণদিকে সরে যাচ্ছে। রেখাটি ১৯১৭ সালে ছিল ২৩° ২৭′ এবং ২০৪৫ সালে ২৩° ২৬'অক্ষাংশে পৌঁছাবে।
বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় দেশাত্মবোধক গান 'সব কটা জানালা খুলে দাও না'- এর গীতিকার হলেন নজরুল ইসলাম বাবু।
- গানটির সুরকার ছিলেন আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল এবং কণ্ঠশিল্পী ছিলেন সাবিনা ইয়াসমিন।
- ১৯৮২ সালে এই গানটি রচনার মূল প্রেক্ষাপট ছিল বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা।
- নজরুল ইসলাম বাবু ১৯৪৯ সালে জামালপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন এবং তিনি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধাও ছিলেন।
- তার রচিত আরও একটি বিখ্যাত গান হলো 'একটি বাংলাদেশ তুমি জাগ্রত জনতার'।
যমুনা রেল সেতু হচ্ছে বাংলাদেশের একটি রেলওয়ে সেতু যা সিরাজগঞ্জ জেলার সাথে টাঙ্গাইল জেলার ভূয়াপুর উপজেলাকে যুক্ত করেছে। এই সেতুটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম রেলওয়ে সেতু এবং ২০২৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে প্রথম পরীক্ষামূলক ভাবে এতে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল শুরু হয়। সেতুটি ২০২৫ সালের ১৮ মার্চ উদ্বোধন করা হয়।
প্রত্যয়গতভাবে শুদ্ধ - উৎকৃষ্ট
যেসব অর্থহীন শব্দাংশ অন্য শব্দের শুরুতে বসে নতুন শব্দ গঠন করে, সেগুলোকে উপসর্গ বলে। উপসর্গের নিজের কোনো অর্থ নেই। কিন্তু নতুন নতুন অর্থবোধক তৈরিতে উপসর্গ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
এখানে, অচিন (চিন-পরিচয়ের অভাব), অচিন’ শব্দের ‘অ’ উপসর্গটি নঞর্থক/ না/ অভাব অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
একইভাবেঃ অজানা, অথৈ:- অভাব অর্থে
Intellectual শব্দের বাংলা অর্থ - বুদ্ধিজীবী
জব সলুশন