'প্রাতরাশ' শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
ক) প্রাতঃ + আস
খ) প্রাতঃ + রাশ
গ) প্রাতঃ + আশ
ঘ) প্রাত + রাশ
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
'প্রাতরাশ’ শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো প্রাতঃ + আশ (অশ্ ধাতু নিষ্পন্ন 'আশ' অর্থ ভোজন/খাবার)।
Related Questions
ক) লুণ্ঠন
খ) দন্ড
গ) কন্টক
ঘ) স্ন্দন
Note :
ণ-ত্ব বিধানের নিয়ম অনুযায়ী ট-বর্গীয় ধ্বনির (ট, ঠ, ড, ঢ) পূর্বে যুক্তবর্ণে দন্ত্য-ন না হয়ে মূর্ধন্য-ণ হয়। তাই ‘ণ্ + ঠ’ যুক্ত হয়ে ‘লুণ্ঠন’ বানানটি শুদ্ধ।
ক) উগান্ডা
খ) ইথপিয়া
গ) সেনেগাল
ঘ) তিউনেশিয়া
Note : ১৯৭২ সালের ৩১ জানুয়ারি সেনেগাল বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি প্রদান করে। এটি ছিল আফ্রিকার প্রথম দেশ যারা বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়। অন্য বিকল্পগুলোর মধ্যে ইথিওপিয়া, উগান্ডা এবং তিউনিসিয়া পরবর্তীতে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছিল।
ক) বীরপ্রতীক
খ) বীরশ্রেষ্ঠ
গ) বীরউত্তম
ঘ) বীরবিক্রম
Note : বাংলাদেশের বীরত্বসূচক খেতাবগুলোর মধ্যে মর্যাদার ক্রমানুসারে রয়েছে: ১. বীরশ্রেষ্ঠ, ২. বীর উত্তম, ৩. বীর বিক্রম, এবং ৪. বীর প্রতীক। তাই মর্যাদা অনুসারে তৃতীয় খেতাব হলো 'বীর বিক্রম'। বীরশ্রেষ্ঠ সর্বোচ্চ সম্মান, এবং বীর প্রতীক সর্বনিম্ন সম্মান। 'বীরউত্তম' দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে।
ক) জেনারেল মোহাম্মদ আতাউল গণি ওসমানী
খ) গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার
গ) ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান
ঘ) ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর
Note : ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণের সময় বাংলাদেশের পক্ষে প্রতিনিধিত্ব করেন বিমান বাহিনীর ডেপুটি চিফ অফ স্টাফ গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার। জেনারেল এম এ জি ওসমানী ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক, কিন্তু আত্মসমর্পণের নির্দিষ্ট অনুষ্ঠানে তিনি উপস্থিত ছিলেন না। ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ও ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর ছিলেন শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা। তাই গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকারই সঠিক উত্তর।
জব সলুশন