বৈদ্যুতিক হিটার ও ইস্ত্রিতে কোন্ ধাতুর তার ব্যবহার করা হয়?
বৈদ্যুতিক হিটার ও বৈদ্যুতিক ইস্ত্রিতে তাপ উৎপাদনের জন্য উচ্চ গলনাংক ও উচ্চ আপেক্ষিক রোধ বিশিষ্ট নাইক্রোমের তার ব্যবহৃত হয়। তামা দিয়ে বিদ্যুৎবাহী তার, বৈদ্যুতিক কয়েল, বিভিন্ন সংকর ধাতু ইত্যাদি তৈরি করা হয়।
Related Questions
পারমাণবিক চুল্লিতে প্রধান জ্বালানি হিসেবে ইউরেনিয়াম, বিশেষ করে ইউরেনিয়াম-২৩৫ ব্যবহার করা হয়। এছাড়াও প্লুটোনিয়াম-২৩৯ ও থোরিয়াম জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
লুইস ব্রেইল (Louis Braille) একজন ফরাসী আবিষ্কারক ও পূজনীয় শিক্ষক।
- তিন বছর বয়সে অন্ধ হয়ে যাবার পর বিশ বছর বয়সে তিনি অন্যান্য অন্ধ ব্যক্তিদেরকে শিক্ষা দিতে অগ্রসর হন।
- এরপর এক বছরের মধ্যে অন্ধ ও দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সহায়তা ও কল্যাণার্থে তিনি ব্রেইল পদ্ধতি আবিষ্কারের মাধ্যমে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনয়ণ করেছেন।
- দৃষ্টি নিবদ্ধ হওয়া ছাড়াই এক থেকে ছয়টি বিন্দুতে অঙ্গুলী নির্দেশনা ও স্পর্শের মাধ্যমে বিশ্বের লাখো লাখো অন্ধ ব্যক্তিগণ শিক্ষণ প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণপূর্বক তাদের লেখনী কিংবা পড়ার কাজ সম্পন্নপূর্বক যোগাযোগ প্রক্রিয়া সম্পাদন করে থাকেন।
- অদ্যাবধি এ পদ্ধতিটি বিশ্বের সর্বত্র পরিচিতি পেয়েছে ও প্রচলিত সকল ভাষায় গ্রহণ করা হয়েছে।
∎লোহা:
লোহা একটি মৌলিক পদার্থ যার পারমাণবিক সংখ্যা ২৬ এবং রাসায়নিক সংকেত Fe। এটি এক প্রকারের ধাতু।
ধাতুগুলির মধ্যে প্রাচুর্যের দিক থেকে প্রকৃতিতে আলুমিনিয়ামের পর দ্বিতীয় স্থান লোহার।তবে পৃথিবীর কেন্দ্রবিন্দুর অংশটি লোহার তৈরী বিধায় সেটাকে হিসাবে আনা হলে পৃথিবীতে লোহার পরিমাণই সবচেয়ে বেশি। তবে খাঁটি লোহা প্রকৃতিতে বিরল।
ডেভিস কাপ (Davis Cup) পুরুষদের টেনিসের প্রধান আন্তর্জাতিক দলীয় প্রতিযোগিতা বিশেষ। আন্তর্জাতিক টেনিস ফেডারেশন (আইটিএফ) কর্তৃক এ প্রতিযোগিতা পরিচালিত হয়। সাংবাৎসরিকভিত্তিতে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সেরা জাতীয় দলগুলো একত্রিত হয়ে একে-অপরের বিরুদ্ধে নক-আউট ভিত্তিতে খেলায় অংশগ্রহণ করে।
গৌড়ের সোনা মসজিদ (ছোট সোনা মসজিদ) সুলতান আলাউদ্দিন হোসেন শাহের আমলে নির্মিত হয়। ১৪৯৩ থেকে ১৫১৯ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে ওয়ালী মোহাম্মদ বিন আলী এই ঐতিহাসিক মসজিদটি নির্মাণ করেন।
খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO)
- FAO এর পূর্ণরূপ Food and Agricultural Organization বা খাদ্য ও কৃষি সংস্থা।
- জাতিসংঘের অন্যতম মূলসংস্থা ECOSOC - এর তত্ত্বাবধানে ১৬ অক্টোবর, ১৯৪৫ সালে কানাডার কুইবেকে এক সম্মেলনের মাধ্যমে এটি প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৪৬ সালে জাতিসংঘের বিশেষ মর্যাদা লাভ করে।
- নবগঠিত জাতিসংঘের বিশেষ তত্ত্বাবধানে এই সংস্থা গঠনের মূল লক্ষ্য হচ্ছে -
বিশ্বব্যাপী খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মাধ্যমে ক্ষুধা নির্মুল করা এবং সবাইকে পুষ্টিকর খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করা।
- বর্তমানে সংস্থাটি ১৩০টি দেশে কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
- সদস্য সংখ্যা - ১৯৪টি
- সদরদপ্তর - রোম, ইতালি।
উৎসঃ FAO ওয়েবসাইট।
জব সলুশন