সুষম খাদ্যের উপাদান কয়টি?
সুষম খাদ্যের প্রধান উপাদান ছয়টি। উপাদানগুলো হলো: শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট, আমিষ বা প্রোটিন, স্নেহ বা চর্বি, ভিটামিন, খনিজ লবণ এবং পানি।
Related Questions
১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকারের (মুজিবনগর সরকার) শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে অধ্যাপক ইউসুফ আলী রাষ্ট্রপতি ও মন্ত্রিপরিষদের সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করান। একই অনুষ্ঠানে তিনি স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রও পাঠ করেছিলেন।
রোগজীবাণু তত্ত্ব বা জার্ম থিওরি (Germ Theory of Disease)-এর মূল প্রবক্তা হলেন ফরাসি বিজ্ঞানী লুই পাস্তুর। এছাড়া জার্মান বিজ্ঞানী রবার্ট কোচ নির্দিষ্ট রোগের জন্য নির্দিষ্ট জীবাণু চিহ্নিত করার পদ্ধতি ও জোরালো প্রমাণ দিয়ে এই তত্ত্বকে পরিপূর্ণতা দান করেন।
”লেডি উইথ দি ল্যাম্প” ফ্লোরেন্স নাইটিংগেল উপাধি ।
সোডিয়াম একটি মৌল বা মৌলিক পদার্থ।। ১৮০৭ খ্রিস্টাব্দে স্যার হ্যামফ্রে ডেভি এটি আবিষ্কার করেন। সোডিয়ামের প্রতীক Na এবং পারমাণবিক সংখ্যা ১১।
সোডিয়াম পারমাণবিক চুল্লিতে ঠান্ডাকরণ হিসাবে ব্যবহৃত হয় কারণ এটির এই প্রয়োগের জন্য বেশ কয়েকটি পছন্দসই বৈশিষ্ট্য রয়েছে। ঠান্ডাকরণ হিসাবে সোডিয়াম ব্যবহার করার প্রধান সুবিধাগুলির মধ্যে একটি হল এটির একটি খুব উচ্চ স্ফুটনাঙ্ক রয়েছে, যার মানে এটি পারমাণবিক চুল্লির ভিতরে থাকা উচ্চ তাপমাত্রায় কার্যকরভাবে তাপ স্থানান্তর করতে পারে। সোডিয়ামেরও কম গলনাঙ্ক রয়েছে, যা তরল অবস্থায় ঠান্ডাকরণ হিসেবে ব্যবহার করা সহজ করে তোলে।
এর উচ্চ স্ফুটনাঙ্ক এবং নিম্ন গলনাঙ্ক ছাড়াও, সোডিয়ামের আরও অনেক বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা এটিকে পারমাণবিক চুল্লিতে ব্যবহারের জন্য উপযুক্ত করে তোলে। উদাহরণস্বরূপ, এটি তাপের একটি ভাল পরিবাহী, যার মানে এটি চুল্লির কোরের মাধ্যমে কার্যকরভাবে তাপ স্থানান্তর করতে পারে। সোডিয়াম তুলনামূলকভাবে সস্তা এবং প্রচুর, যা এটিকে পারমাণবিক চুল্লিতে ব্যবহারের জন্য একটি সাশ্রয়ী পছন্দ করে তোলে।
সামগ্রিকভাবে, একটি পারমাণবিক চুল্লিতে কুল্যান্ট বা ঠান্ডাকরণ হিসাবে সোডিয়ামের ব্যবহার একটি নিরাপদ এবং স্থিতিশীল স্তরে চুল্লি কেন্দ্রের তাপমাত্রা বজায় রাখতে সাহায্য করতে পারে, যা চুল্লির নিরাপদ অপারেশনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস। ১৯৭২ সালের জুনে সুইডেনের স্টকহোমে অনুষ্ঠিত মানব পরিবেশের উপর প্রথম জাতিসংঘ সম্মেলনে পরিবেশ বিষয়ে ব্যাপক আনােচনার সূত্রপাত ঘটে এর প্রেক্ষিতে ১৯৯০ সাল থেকে প্রতিবছর ৫ জুন জাতিসংঘভুক্ত দেশগুলােতে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয়।
বাংলাদেশের বর্তমান জাতীয় পতাকার ডিজাইনার হলেন শিল্পী পটুয়া কামরুল হাসান [১, ৭]। তিনি ১৯৭২ সালে শিবনারায়ণ দাশের করা মূল নকশা (যাতে মানচিত্র ছিল) থেকে মানচিত্রটি বাদ দিয়ে পতাকার বর্তমান রূপটি পরিমার্জন করেন
জব সলুশন